7,000

সুন্দরবনে জ্যোৎস্না বিলাশ

1 of
Previous Next

Ad Details

  • Ad ID: 20170

  • Added: August 21, 2019

  • Sale Price: 7,000

  • Condition: new

  • Location: Bangladesh

  • State: Khulna Division

  • City: KhulnaCity

  • Phone: 01711954365

  • Views: 142

Description

জীবনে পুর্নিমাতো বহুবার দেখা হয়েছে, কিন্তু সুন্দরবন আর বঙ্গপসাগরের মিলন স্থলে বসে তা উপভোগের সৌভাগ্য কয়জনের হয়?

বঙ্গোপসাগরের বুকে কুঙ্গা এবং মৃত পশুর নদীর মোহনায় জেগে ওঠা দুবলার চরে দীর্ঘ কাল ধরে চলে আসছে রাস মেলা। কার্তিক মাসের পূর্ণিমা তিথিতে দুবলার চরে #রাসমেলা অনুষ্ঠিত হয়।

শ্রীকৃষ্ণ শত বছর আগের কোনো এক পূর্ণিমা তিথিতে পাপমোচন এবং পুণ্যলাভে গঙ্গাস্নানের স্বপ্নাদেশ পান। সেই থেকে শুরু হয় রাস মেলার। আবার কারও কারও মতে, শারদীয় দুর্গোৎসবের পর পূর্ণিমার রাতে বৃন্দাবনবাসী গোপীদের সঙ্গে রাসনৃত্যে মেতেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। এ উপলক্ষ্যেই দুবলার চরে পালিত হয়ে আসছে রাস উৎসব।

অসংখ্য সনাতন ধর্মাবলম্বী অংশ নেন এ মেলায়। তবে সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহনের ফলে এটি আর শুধু হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উৎসব থাকেনা, পরিনত হয় সার্বজনিন একটি উৎসবে। দেশ বিদেশের হাজার হাজার পর্যটকদের উপস্থিতি এ মেলাকে করে তোলে প্রানবন্ত।

খুলনা – সুন্দরবন – খুলনা

ভ্রমণের সময়কালঃ
ভ্রমণ শুরুঃ নভেম্বর ২২, ২ (সকাল ৬/৭ টা, খুলনা)
ভ্রমণ শেষঃ নভেম্বর ২৪, ২ (রাত ৭/৮ টা, খুলনা)

দর্শনীয় স্থান সমূহঃ
করমজল
হাড়বাড়িয়া
কটকা অভয়ারন্য
জামতলা-ওয়াচ টাওয়ার
কটকা-সী-বিচ
হিরোনপয়েন্ট
দুবলার চর ।

#_১ম_দিন
বি আই ডব্লিউ ডি ঘাট থেকে জাহাজ ছেড়ে রুপসা ভি-আইপি ঘাট হয়ে খানজাহান আলী সেতু পার হয়ে আস্তে আস্তে অতিক্রম করবে ভৈরব নদ; চারিদিকের অকিত্রিম সৌন্দর্য দেখতে দেখতে আমরা আগাতে থাকব পশুর নদীর দিকে। জাহাজ থেকে দেখতে পারব শিপইয়ার্ড; যেখানে তৈরি হইয়েছিল #বাংলাদেশের_প্রথম_যুদ্ধ_জাহাজ, এছাড়াও আলোকিত তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং মংলা বন্দর(এটা দেশের ২য় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর)। মংলা বন্দর পার করেই ঢ্যাংমারি ফরেস্ট,যেখান থেকেই সুন্দরবন শুরু। কিছুদিন আগে বন বিভাগ এটাকে #তিমির_অভয়_আরোণ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে।
স্বাদে ,ঘ্রাণে এবং রূপ-ল্যাবণ্যে ভরা সরষে ইলিশ খেতে খেতে পৌছে যাব হাড়বাড়িয়া। হাড়বাড়িয়া টহল ফাঁড়ির পাশেই ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র। এর সামনের খালটি কুমিরের অভয়ারণ্য। প্রায়ই লোনা পানির কুমির দেখা যায় এই খালের চরে। রোদ পোহাতে কুমিরগুলো খালের চরে শুয়ে থাকে।
হাড়বাড়িয়ায় সুন্দরনের বিরল মায়া হরিণেরও দেখা মেলে। এখানকার ছোট ছোট খালগুলোতে আছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছরাঙাসহ নানান জাতের পাখি। হাড়বাড়িয়ার খালে পৃথিবীর বিপন্ন #মাস্ক_ফিনফুট বা কালোমুখ প্যারা পাখিও দেখা যায়।
হাড়বাড়িয়া থেকে আমাদের যাত্রা শুরু হবে কাঙ্খিত রাসমেলা,মানে দুবলার চর।#দুবলার চর বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের দক্ষিণে, কটকার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং হিরণ পয়েন্টের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত একটি দ্বীপ যা চর নামে হিন্দুধর্মের পূণ্যস্নান, রাসমেলা এবং হরিণের জন্য বহুল পরিচিত। কুঙ্গা ও মরা পশুর নদের মাঝে এটি একটি বিচ্ছিন্ন চর। রাতে সমস্ত আনন্দ উপভোগের শেষে ক্লান্ত দেহকে একটু বিশ্রাম দিব।

#_২য়_দিন
খুব ভোরে সূর্য দেখার মাধ্যমে শুরু হবে নতুন দিন। #সমুদ্রস্নান সেরে আমরা হিরনপয়েন্টের উদ্দ্যেশ্যে রওনা দিব। আমরা খুব বেশি সময় ক্ষেপন করব না, তাহলে নিজেদের কথার মূল্যায়ন কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে। জাহাজ চলতে থাকবে কটকা অভয় আরোণ্যের উদ্দেশ্যে।
হিস!!! সাবধান!!! কটকাতে আছে টাইগার পয়েন্ট, #বাঘের বিচরণ একেবারে কম নয়। তবে আমাদের সাথে বিচক্ষণ ফরেস্টগার্ড,যাদের হাতে থাকবে ভাড়ি অস্ত্র।
এখানে কেবল বাঘের ভয় নয়,কটকা সৈকতের কাছাকাছি পৌঁছালে ঢেউ ভাঙার শব্দ জানান দেবে সাগর এখানে কতটা ক্ষেপে রয়েছে!মাঝিরা বলে, জোয়ারের সময় তিন ঢেউয়ে কটকা সৈকত ভরে যায়।
সন্ধ্যা নেমে এল এখন শুরু হোক বনের ভেতর শহুরে মুরগী পোরাণো(BBQ)। সাথে থাকছে আনন্দ দেয়ার জন্য বেশ কিছু আয়োজন। সেটা না হয় #সারপ্রাইজই থাক।
রাত গভীরতার সাথে সাথে যেন সুন্দর বন অন্য এক রুপে পরিণত হল।

#_৩য় দিন
সুন্দরবন যদি আপনার ভ্রমণ সহস্রবারও হয় তাও আপনি তার রহস্য উন্মোচন করতে পারবেন না। করমজল প্রবেশপথেই মাটিতে শোয়ানো বিশালাকৃতির মানচিত্র সুন্দরবন সম্পর্কে সাম্যক ধারণা দেবে। মানচিত্রটিকে পেছনে ফেলে বনের মধ্যে দক্ষিণে চলে গেছে আঁকাবাঁকা কাঠের তৈরি হাঁটা পথ। এই নাম #মাঙ্কি_ট্রেইল’।
এই নামের স্বার্থকতা খুঁজে পাওয়া যায় ট্রেইলে পা ফেলার সঙ্গে সঙ্গেই। পুরো ট্রেইল জুড়েই দেখা মিলবে সুন্দরবনের অন্যতম বাসিন্দা রেসাস বানরের। বানরগুলো ট্যুরিস্টদের কাছাকাছি চলে আসে। হাতে কলা বা অন্য কোনো খাবার নিয়ে পথ না চলাই ভালো। কারণ বানরগুলো খাবারের জন্য আপনাকে ঘিরে ধরতে পারে। তাই সাবধান বানর থেকে। এছাড়াও আছে অন্যান্য বণ্যপ্রানী,সেগুলো এসে দেখতে হবে। সব বলে দিলেতো হবে না।
বেশ খারাপ লাগছে এখন;এই তিনদিনের ভ্রমণের সময়ে অনেক অচেনা মানুষ চেনা হয়ে গেছে,খুলনায় পৌছেই হয়ত বিচ্ছিন্ন হয়ে যাব। আবার কি দেখা হবে!!!!
যেখানে যান,যত দূরেই যান #BOHEMIAN_TRAVEL_TEAM আপনার সাথেই থাকবে।

সেবা সমূহঃ
* প্রতিদিন দুই বেলা স্ন্যাক্স সহ ৫ বেলা খাবার
* তিন দিন ভ্যাসেলের কেবিনে থাকা।(শেয়ার কেবিন)
* সাবর্ক্ষণিক চায়ের ব্যবস্থা
* বনের ভেতরে প্রবেশের ও ভ্রমণের জন্য ছোট নৌকা
* জঙ্গল ট্রেকিং
* সুন্দরবনে প্রবেশের পাস
* গাইড সার্ভিস
* বন বিভাগ থেকে দুইজন সিকিউরিটি গার্ড
* জেনারেটর ব্যাবস্থা

জরুরী কিছু নোটঃ
• কোনো রকম মাদকদ্রব্য বহন, ব্যবহার অথবা কোনো ভাবে সম্পৃক্ত থাকা যাবেনা ।
• নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কিছু কোনভাবেই করা যাবেনা ( এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ)।
• পরিবেশ নষ্ট হয় এমন কাজ করা যাবে না।
• ভ্রমণকালীন যে কোন সমস্যা নিজেরা আলোচনা করে সমাধান করতে হবে।
• ভ্রমণ সুন্দর মত পরিচালনা করার জন্য সবাই আমাদেরকে সর্বাত্মক সহায়তা করতে হবে।

বিশেষ সুবিধাঃ
• প্রাইমারী ট্রিট্মেন্টের জন্য সাথে থাকছে #অভিজ্ঞ_ডাক্তার।
• সিকুউরিটির জন্য আর্মস গার্ড।
• অভিজ্ঞ গাইড।

Service type:Travel & Tourism