ফ্রিজ ও রেফ্রিজারেটর পার্থক্য, ফ্রিজ ও রেফ্রিজারেটর কেনার আগে ও পরে

Jakir Hossain August 24, 2019 No Comments

ফ্রিজ ও রেফ্রিজারেটর পার্থক্য, ফ্রিজ ও রেফ্রিজারেটর কেনার আগে ও পরে

বাংলাদেশ গত এক দশকে ব্যপক পরিবর্তন হয়েছে, মানুষের জীবনের মান উন্নয়ন হয়েছে, মানুষের জীবন যাপনে ব্যপক পরিবর্তন এসেছে।
তেমনি সময়ের সাথে সাথে দেশের মানুষের চাহিদার সাথে সাথে আসবাব পত্রেও ব্যপক পরিবর্তন এসেছে। আমরা আজ feeglee.com এর পাঠকদের সাথে একটি আসবাব পত্র নিয়ে আলোচনা করবো যেটি এখনকার মানুষের নিত্য দিনের চাহিদার ও ব্যবহারের শির্ষে রয়েছে সেটি হলো ফ্রিজ বা রেফ্রিজারেটর।

ফ্রিজ ও রেফ্রিজারেটর মধ্যে পার্থক্যঃ-
আমরা প্রথমে যেই বিষয়টি জানবো সেটি হলো ফ্রিজ ও রেফ্রিজারেটর মধ্যে পার্থক্য কি? সুতরাং চলুন জেনে নেয়া যাক ফ্রিজ ও রেফ্রিজারেটর মধ্যে পার্থক্য।
*ফ্রিজ ও রেফ্রিজারেটর মধ্যে প্রধান যে পার্থক্য সেটি হলো সাধারণ ফ্রিজ বা রেফ্রিজারেটরে একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ঠান্ডা হয়। কিন্তু ফ্রিজার বা ডিপ ফ্রিজে তাপমাত্রার কোনো সীমা নেই। এটি ধীরে ধীরে অনেক বেশি ঠাণ্ডা হয়ে যায়। যার ফলে পানি বরফে পরিণত হয়। সাধারণ রেফ্রিজারেটরেও ফ্রিজার অংশ থাকে, তবে ছোট পরিসরে।

ফ্রিজ ও রেফ্রিজারেটর কেনার আগে ও পরেঃ-
ফ্রিজ ও রেফ্রিজারেটর কেনার আগে ও পরে যে বিষয় গুলো আপনার বিবেচনায় রাখা দরকার এখন সেই বিষয় গুলো সম্পর্কে জানবো।

কম্প্রেসারঃ-
কম্প্রেসার হলো ফ্রিজের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন অংস। কম্প্রেসার যত উন্নত মানের হবে ততই দ্রুত ঠান্ডা হবে ফ্রিজ। যেই ফ্রিজে অত্যাধুনিক ইনভার্টার কম্প্রেসার রয়েছে এমন ফ্রিজটিই কেনা সর্বত্তম। এতে করে আপনার বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে অনেক। এবং ভোল্টেজের উঠানামাতেও ঠিকঠাক ভাবে কুলিং হবে।

স্থায়িত্বঃ-
ফ্রিজ কেনার আগে যে বিষয়টি সবথেকে বেশি নজরে রাখতে হবে সেটি হলো ফ্রিজটির স্থায়িত্ব কেমন হবে, এমন ফ্রিজ কিনতে হবে যেই ফ্রিজের স্থায়িত্ব অনেক বেশি, যেটি টেকসই ও অনেক মজবুত। বেশিদিন টিকবে যেটিতে সমস্যা খুব কম দেখা দিবে। স্থায়িত্ব বিবেচনা করে ফ্রিজ কিনলে আপনি নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন আপনার পছন্দের ফ্রিজটি নিয়ে।

ডিজাইনঃ-
ফ্রিজের স্থায়িত্বের পরেই যেই বিষয়টি আসে সেটি হলো ফ্রিজের ডিজাইন। এখনকার সময়ে প্রতিটি কোম্পানি তাদের ফ্রিজের ডিজাইনে ব্যপক আকর্ষন রাখছে, ক্রেতা ধরতে ডিজাইনে আসছে নান্দনিক বৈচিত্র। সুতরাং ফ্রিজ কেনার আগে আপনি আপনার পছন্দের ডিজাইনটিকেই প্রাধান্য দিন যাতে ফ্রিজটি টেকসইয়ের সাথে সাথে দেখতেও সুন্দর হয়।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ঃ-
প্রতিটি মানুষই ফ্রিজ কেনার আগে যেই বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করে সেটি হলো বিদ্যুৎ বিল, বাড়িতে ফ্রিজ আনলেই বিদ্যুৎ বিল বড় আকারে বৃদ্ধি পাবে, এই বিষয়টি যদি আপনারও মাথায় থাকে থাহলে আপনাকে এমন ফ্রিজ চয়েস করতে হবে যেই ফ্রিজটি হবে বিদ্যত সাশ্রয়ী ফ্রিজ, স্বাধারন ফ্রিজের থেকে যেটি অনেকাংশে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করবে।

ওয়ারেন্টিঃ-
ফ্রিজ কেনার আগে যে বিষয়টি অবশ্যই নজরে রাখবেন সেটি হলো ফ্রিজটি যেনো দীর্ঘমেয়াদি ওয়ারেন্টির হয়ে থাকে, মার্কেটে যে ফ্রিজ গুলো রয়েছে সেগুলোর কম্প্রেসারের উপর ৫, ৮, ও ১০ বছর মেয়াদের ওয়ারেন্টি রয়েছে।

Categories : Daily Tips