ভারত / ইন্ডিয়া তে টুরিস্ট বা ঘুরতে যাওয়ার ভিসা সম্পর্কে জানুন

Jakir Hossain August 23, 2019 No Comments

ভারত / ইন্ডিয়া তে টুরিস্ট বা ঘুরতে যাওয়ার ভিসা সম্পর্কে জানুন

আপনি যদি ইন্ডিয়াতে ঘুরতে যেতে চান তাহলে ভিসা বা ট্রানজিট সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিতে হবে। ইন্ডিয়াতে প্রতিবছর লক্ষাদিক পর্যটক ঘুরতে যায়, এরমধ্যে বাংলাদেশ থেকেও হাজারো পর্যটক ইন্ডিয়াতে ঘুরতে যায়, যারা ইন্ডিয়াতে ঘুরতে যেতে চান তারা জানুন কিভাবে করতে হবে ইন্ডিয়ান ভিসা।

আবেদনঃ-
আবেদন ফর্ম রেডি করা (পুরণ করা, ছবি আর স্বাক্ষর দেয়া)

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ-
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি সংগ্রহ করতে হবে যেমন পাসপোর্ট, সার্টিফিকেট, পুলিশ সনদ ইত্যাদি।

ফি পরিশোধঃ-
ভিসা আবেদন ফি পরিশোধ করা,

আবেদন জমাঃ-
সঠিক ভাবে ভিসা আবেদন জমা দিতে হবে, জমার আগে গুরুত্ব সহকারে যাচাইবাচাই করে নিতে হবে যাতে কোনো তথ্য ভুল না থাকে।

পাসপোর্টঃ-
পাসপোর্ট সংগ্রহ বা ফেরত নেয়া।

ছবিঃ-
এককপি ২x২ ইঞ্চি মাপের প্রিন্টেড ছবি ও আরেকটি সফট কপি (শুধু অনলাইন আবেদনের সময় লাগবে)

পুরনকৃত ফর্মঃ-
পুরনকৃত ফর্ম (প্রিন্টেড), যেই ফর্মটি আপনি পুরন করবেন সেই ফর্মের একটি পৃন্টেড কপি দরকার হবে।

এনআইডিঃ-
আপনার স্মার্ট কার্ড/এনআইডি অথবা জন্ম সনদের ফটোকপি করে সেটি জমা দিতে হবে।

ইউটিলিটি বিলঃ-
আপনার বাসার ইউটিলিটি বিল যেমন (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস বা টেলিফোন বিল) এর ফটোকপি জমা দিতে হবে।

NOC :-
পেশার প্রমাণপত্র (বেসরকারি চাকুরিজীবি হলে NOC, সরকারি চাকুরিজীবি হলে NOC/G.O>., ছাত্র হলে আইডি কার্ড বা বেতনের রশিদ, ব্যাবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স এর ফটোকপি, আর পেশা কৃষি হলে জমির খতিয়ানের ফটোকপি)

ব্যাংক স্টেটমেন্টঃ-
ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ডলার এনডোর্সমেন্ট অথবা ইন্টারন্যাশনাল কার্ডের কপি সংগ্রহ করে সেগুলো জমা দিতে হবে।

পাসপোর্ট এর ডাটাঃ-
আপনার পাসপোর্ট এর ডাটা পেইজের ফটোকপি (ছবির পাতা) করে সেটি জমা দিতে হবে।

ইন্ডিয়ান ভিসাঃ-
যদি আপনার ইন্ডিয়ান ভিসা থেকে থাকে তবে সর্বশেষ ভিসা টির ফটোকপি করে জমা দিতে হবে। (যদি থাকে)

সাপোর্টিং কাগজ:-
এই কাগজ গুলোর সাথে মিলকৃত অন্য কোন সাপোর্টিং কাগজ যদি থাকে আর আপনি দিতে চান তবে সেটিও জমা দিতে পারেন।

পূর্ববর্তি সকল পাসপোর্ট:-
পূর্ববর্তি সকল পাসপোর্ট। যদি পুরাতন পাসপোর্ট থাকে তাহলে অবশ্যই দিতে হবে। আর হারিয়ে গেলে জিডি কপি ও লস্ট সার্টিফিকেট দিতে হবে।

মনে রাখবেন:-
আপনি যেই ফর্মটি পুরন করবেন সেটি শুরু করার পর ওরা একটা Temporary ID দিবে। সেটি আপনাকে সেইভ করে রাখতে হবে। এর কারন হলো যদি কোন কারণে তাদের সার্ভারে সমস্যা থাকে বা আপনি বাকি অংশ পরে পুরন করতে চাইলে এই লিংকে গিয়ে ‘Complete Partially Filled Form’ এ ক্লিক করে Temporary ID ও ক্যাপচা দিয়ে আবার আগের জায়গা থেকে শুরু করতে পারেবেন।

একবার যদি ফর্ম সম্পুর্ন পুরন হয়ে যায় তবে আপনি আর নিজে এডিট করতে পারবেন না। তবে আবেদন কেন্দ্রে গেলে ওরা ঠিক করে দিবে, কিন্তু সেক্ষেত্রে ফি দিতে হবে ৩০০ টাকা। ফর্ম পুরন করার পর ওই দিনসহ মোট ৯ দিন ফর্ম ভ্যালিড থাকে। তার মানে ওইদিন বাদ দিলে আর ৮ দিনের মাঝে জমা দিতে হবে, না হলে এক্সপায়ার হয়ে যাবে। জরুরি তথ্যগুলো সতর্কতার সাথে, পাসপোর্ট দেখে পুরন করুন। যেমন নামের বানান, জন্ম তারিখ, পাসপোর্ট নাম্বার ও অন্যান্য তথ্য।

ভিসা ফিঃ-
স্বাভাবিক ভাবে ইন্ডিয়ান পাসপোর্ট পেতে হলে আপনার দরকার হবে ৩০০০ টাকা ও ৪৫০ টাকা ভ্যাট। আর যদি আপনার যলদি দরকার হয় সেক্ষেত্রে আপনাকে আরো বেশি খরচ করতে হবে সেটি নির্ভর করে আপনি কোথা থেকে করবেন সেটির উপর। আর যদি আপনি ভারতীয় ভিসা করতে চান সেক্ষেত্রে আপনার খরচ হবে ৬০০০ টাকা, ট্রাভেল ট্যাক্স বা ভ্রমণ কর ৫০০ টাকা যার কাগজ ভ্রমনের দিন বর্ডারে জমা দিতে হয়।

Categories : VISA Processing